পান্তা ইলিশ আমাদের বাঙ্গালির প্রিও একটী খাবার । পান্তা ভাত সাধারনত ভাতের সাথে পানি মিশীয়ে তইরি করা হয় এবং ইলিশ মাছ করা করে ভেজে সাথে কিছু ভরতা থাকলে তো জমে খির।
Penta Hila is a favorite dish of our Bengalis. Penta bat is usually made by mixing rice with water, and hila fish is cooked and fried with some filling.
👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆
👉
একটা সময় এদেশের অর্থনীতি ছিলো পুরোপুরি কৃষিভিত্তিক এবং জিডিপির পুরোটাই প্রায় কৃষি থেকে আসত। তখন এদেশের শ্রমবাজার বলতে কৃষক-ক্ষেতমজুর-বর্গাচাষীই ছিলো, আজকের মত শিল্প শ্রমিক কিংবা গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলো না। আর এদের নিয়ন্ত্রক ছিলো জমিদার, জোতদার যাদের কুকর্মে সন্তুষ্ট হয়ে ইংরেজরা তাদেরকে আদর স্নেহ করে মাঝে মাঝে স্যার,নাইটহুড, নওয়াব, খানবাহাদুর, রায়বাহাদুর উপাধিও দিত কারন শোষণ ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এদের খুব দরকার।

পান্তা কোন বিলাসী খাবার না। কখনো রাতে ভাত বেঁচে গেলে গ্রামের কষৃক বা দরিদ্র মানুষ সে ভাত পানি দিয়ে রাখতো। কারন ভাত অপচয় করার মত অবস্থা তাদের নেই। সকালবেলা এই পানি দেওয়া ভাত হতো নাস্তা। আর ইলিশ বাংলার সবচেয়ে দামী মাছ। ইলিশ ভাজি একটা বিলাসী খাবার। উচ্চ মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তের খাবার। মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র পরিবারের ইলিশের তরকারি হয় এবং সেটা হয় সাধারণত দুপুরে বা রাতের খাবারের সাথে। সকালবেলা পান্তা ইলিশ বাংলাদেশের ইতিহাসের কোন জায়গাতেই ছিল না। ১৯৮৩ সালে কয়েকজন বাম-ঘরনার সাংস্কৃতিক কর্মী ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য ছায়ানটের অনুষ্ঠান স্থলে পান্তা ইলিশ বিক্রি শুরু করে [https://goo.gl/sRSHMT]। এরপর হলুদ মিডিয়া এবং ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এই আইডিয়াকে লুফে নেয়। শুরু হয় অবিচেক হলুদ মিডিয়ার প্রচারনা এবং ব্যবসায়ীদের বিজ্ঞাপন। কয়েক বছরের মধ্যেই অন্তঃসার শুন্য শহুরে মধ্য এবং উচ্চবিত্ত বাঙালী একে হাজার বছরের ঐতিহ্য বলতে শুরু করে।
একজন আপু বলেছেন ঃ কালকে দেখলাম বাজারে ইলিশ মাছ ভর্তী
সামর্থবানরা দামের তোয়াক্কা করেনা। তবেআপনার লেখায় সত্য বলেছেন। হুজুকে
বাঙালী আনন্দ পাইলে কোনও বিধি নিষেধ
থোরাই কেয়ার করে, আমরা ন্যায় অন্যায়
বিবেক দিয়ে বাঙালি নয়। নিত্য নতুন আনন্দ
বিভোর বাঙালি জাতি আমরা। ন্যায় করছি
না অন্যায় করছি সে বিবেক কমছে বৈকি।
ধন্যবাদ
https://www.facebook.com/hrzsunny.ahmmed?mibextid=9R9pXO



0 Comments